কি আর বলবো

কি আর বলবোকি আর বলবো
ভুক্তভোগী তরুণী জানান, একটি বিজ্ঞাপন দেখার পর রিসিপশনিস্ট পদের জন্য একটি প্রতিষ্ঠান থেকে তার সাথে যোগাযোগ করা হয়। তার সব একাডেমিক তথ্য একটি ইমো (IMO) নাম্বারে পাঠাতে বলা হয়।উনারা আমার বিজ্ঞাপন দেখার পর আমাকে নক করেন।কম্পিউটার সম্পর্কে আমার অভিজ্ঞতা আছে কি না জানতে চান। এরপর ইমো নাম্বারে আমার সব কাগজপত্র ও ছবি পাঠাই। পরে উনারা বলেন একজন ‘সিনিয়র স্যার’ আছে, উনি কথা বললে আমার চাকরিটা হয়ে যাবে।২৬ তারিখে ইন্টারভিউয়ের জন্য আমাকে ডাকা হয়।"ইন্টারভিউয়ের জন্য তাকে যে ঠিকানা দেওয়া হয়, সেটি বাইরে থেকে বোঝার উপায় ছিল না যে এটি বাসা নাকি অফিস।‎তরুণী বিষয়টা বুঝতে পেরে  ফিরে আসতে চাইলেন, তখনই শুরু হলো আসল নাটক। তাকে নানাভাবে ভয়ভীতি দেখানো হয়। আমি বললাম স্যার আমি চাকরিটা করবো না, আমি চলে যাই।তখন স্যার বলেন আমার কথা মত কাজ না করলে বা চিৎকার দিলে আমরা আরো লোক নিয়ে আসবো এবং জোর করে আপনাকে ধ'র্ষ'ণ করাবো। আমি খুব ভ'য় পেয়ে যাই, কারণ সেখানে আমার পরিচিত কেউ ছিল না। ওইখানে  দুটির মেয়ে ছিল ওদের ব্যবহার ব্যবহারও ছিল খুব জ'ঘ'ন্য খারাপ ছিল!‎নিরুপায় হয়ে আমি পাঁচ মিনিট সময় চেয়েছিলেন চিন্তা করার জন্য। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ওই লোকের প্রস্তাবে রাজি হতে হয়।"উনার কথা মতো বোরকা খুলতে বাধ্য হই। উনি রুমের লাইট অফ করে দেন।উনি আমার সাথে বিভিন্ন কথা বলছিলেন যে ‘আপনি ভয় পাবেন না, এরপর আমাকে ধ*র্ষ*ণ করে বলে এমন আর হবে না। এক পর্যায়ে উনি ভিডিও করার চেষ্টা করলে আমি রিকোয়েস্ট করি ভিডিও না করতে।‎আরজে নিরবের এক অনুষ্ঠানে এসে এই তরুণী তার জীবনের এই বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেন। ‎চাকরির খোঁজে বের হওয়া নারীদের নিরাপত্তা আজ বড় প্রশ্নের মুখে।‎এ ধরনের প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ এখন সময়ের দাবি..!
#AboutTheWork

Comments

Popular posts from this blog

How Democrats helped clear Trump’s path back to power...

Leeds beat West Ham in shoot-out to reach FA Cup semis for first time in 39 years